Get Flower Effect
News Update :
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...

হার্ডডিস্ক স্থায়ী রাখার ৫ উপায়। এবার হার্ডডিস্ক থাকবে যুগের পর যুগ

Penulis : Unknown on রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৬ | ৫:২০:০০ PM

রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৬

 কম্পিউটার ব্যবহারকারীদের অনেক সময়ই একটি কমন সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় এবং তা হচ্ছে হার্ডডিস্ক ড্রাইভ ফেইলর সমস্যা। এই সমস্যাটির কারণে অনেকে অনেক প্রকার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং অনেক ক্ষেত্রেই জমিয়ে রাখা বিলুপ্ত প্রায় কালেকশন হারিয়ে ফেলেন। এটা মূলত নির্ভর করে ব্যবহারকারীর উপর। আর সমস্যার গভীরতাও মূলত নির্ভর করে কম্পিউটারটি দিয়ে ঠিক কী কাজ করা হয় তার উপরে। এখন ধরুন, একটি অফিশিয়াল কম্পিউটারে এক রকমের তথ্য সংরক্ষিত থাকে এবং পার্সোনাল কম্পিউটারে ভিন্ন রকম তথ্য। তবে দুই ক্ষেত্রেই কমন ফ্যাক্ট হচ্ছে সমস্যা! ইলেকট্রিক ডিভাইস মানেই একটা সময় এসে এর লাইফ স্প্যান শেষ হয়ে যাবেই। যদিও, একটি হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের ক্ষেত্রে গড়ে ৩ লাখ ঘন্টা ধরে নেয়া হয় তবে এই লাইফ স্প্যান সব ক্ষেত্রেই খাতা কলমের হিসেবেই থাকবে সেটা ভেবে নেয়া ভুল। যাই হোক, আমরা এই সমস্যা এড়াতে বা হার্ড ড্রাইভের লাইফ কিছুটা এক্সটেন্ড করতে সহজ কিছু পদ্ধতি অনুসরণ করতে পারি। আজকে সেই সহজ পদ্ধতিগুলোই আপনাদের সাথে শেয়ার করছি। চলুন, শুরু করা যাক।
খেয়াল করুন, হার্ড ডিস্ক ড্রাইভের সমস্যা বেশি মাত্রায় দেখা যায় ডেস্কটপ কম্পিউটারের ক্ষেত্রে, তাই এখানকার পয়েন্টগুলো বেশির ভাগই ডেস্কটপ কম্পিউটারকে ঘিরেই লেখা। যদিও, অনান্য পয়েন্টগুলো ল্যাপটপের হার্ড ড্রাইভের লাইফ এক্সপান্ডের ক্ষেত্রে সমান ভাবেই কাজে আসবে।
১। ভালো মানের সার্জ প্রোটেকশন সম্বলিত একটি ইউপিএস কিনতে চেষ্টা করবেন। সার্জ প্রোটেকশন মূলত বাড়তি পাওয়ারকে কনট্রোল করে এবং আপনার ডিভাইস পর্যন্ত সেই এক্সেসিভ পাওয়ারকে পৌছাতে দেয় না। এর ফলে ঝড়-বৃষ্টির দিনে বজ্রপাত বা খারাপ পাওয়ার সোর্স থেকে আপনার কম্পিউটার তথা হার্ড ড্রাইভকে সুরক্ষিত রাখবে। এক্সেসিভ পাওয়ার হার্ড ড্রাইভের ফাস্ট এবং কমপ্লিট ফেইলরের জন্য দায়ী। এছাড়াও, ইউপিএস থাকার ফলে বিদ্যুৎ চলে গেলেও আপনি ম্যানুয়ালি নিরাপদভাবে আপনার কম্পিউটারটি বন্ধ করতে পারবেন। ফলে শুধু হার্ড ড্রাইভই নয় বরং আপনার কম্পিউটারের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ কম্পোনেন্টগুলোও সুরক্ষিত থাকবে।
     হার্ডডিস্ক স্থায়ী রাখার উপায়
২। লং-টার্ম ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনার উচিৎ স্বাভাবিক তাপমাত্রায় আপনার কম্পিউটারটি রাখা। অন্তত এরকম যেন না হয় যেন হঠাৎ হঠাৎ আপনার সেই রুমটির তাপমাত্রা অস্বাভাবিক আকারে পরিবর্তন হচ্ছে। এছাড়া, খেয়াল রাখবেন এয়ার ভেন্টগুলোর সামনে যেন অবশ্যই কোন প্রকার অবস্টাকল না থাকে। ডেস্কটপের এয়ার কুলার সিস্টেম বেশ বড় এবং খোলামেলা হলেও ল্যাপটপ এর ক্ষেত্রে ছোট্ট এয়ার ভেন্ট থাকায় ল্যাপটপের ক্ষেত্রে বিশেষ খেয়াল রাখা উচিৎ।
৩। খেয়াল করলেই দেখতে পাবেন আমাদের কম্পিউটারের অপারেটিং সিস্টেমে পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ফিচার রয়েছে। এগুলো অনেকেই অপ্রয়োজনীয় মনে করেন, কিন্তু এগুলো মোটেও অপ্রয়োজনীয় নয়, বরং এগুলোর মাধ্যমেই আপনার কম্পিউটারটি তথা হার্ড ড্রাইভটি স্লিপ মোডে যাবে বা হাইবারনেট হবে তা নির্ধারন করা হয়। তবে আপনি যদি কাজ শেষে সম্পূর্ণভাবে কম্পিউটার বন্ধ করে রাখতে পারেন তবে সবচাইতে ভালো হয়। আর রাতে কাজ শেষে সম্পূর্ণভাবে শাটডাউন করার অভ্যাসটা তৈরি করে নেয়াটাই শ্রেয়।
৪। এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত খেয়াল রাখা উচিৎ। কম্পিউটারে কানেক্ট করার সময় অতিরিক্ত সাবধানতা বজায় রাখা, সেইফলি হার্ড ড্রাইভটি রিমুভ করা – ইত্যাদি সহজ কাজগুলোর মাধ্যমে আপনি খুব সহজেই আপনার এক্সটার্নাল হার্ড ড্রাইভের লাইফ কিছুটা হলেও এক্সটেন্ড করতে পারবেন।
৫। মাঝে মধ্যেই ড্রাইভ মনিটর করা উচিৎ। ডিফ্র্যাগমেন্ট, ডিস্ক এরর চেকিং ইত্যাদি আপনার হার্ড ড্রাইভের লাইফ এক্সটেন্ড করতে সাহায্য করবে।
এই ছিল আজকের আয়োজন। উপরের পদ্ধতিগুলো সব ক্ষেত্রেই আপনার হার্ড ড্রাইভের লাইফ হয়তো এক্সটেন্ড করতে পারবেনা কিন্তু আপনার হার্ড ডিস্ককে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে অবশ্যই।


-সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের সহজ কৌশল

ms logo

মাইক্রোসফট ওয়ার্ডের মতো অফিস প্রোগ্রামগুলোতে অনেক ছোটখাটো কৌশল রয়েছে। এসব কৌশল প্রয়োগ করলে ওয়ার্ডে লেখার কাজটা করা যায় সহজে, আর সময়ও বাঁচে কিছুটা। এখানে জনপ্রিয় কিছু কৌশল দেওয়া হলো।

দ্রুত লাইন স্পেসিং পরিবর্তন
কোনো প্যারাগ্রাফ, পৃষ্ঠা বা পুরো ফাইলের লাইন স্পেসিং (দুই লাইনের মধ্যকার ফাঁকা জায়গা) পরিবর্তন করা যাবে কিবোর্ডের মাত্র দুটি বোতাম চেপে। নির্ধারিত প্যারাগ্রাফে মাউসের কার্সর রেখে Ctrl+1 চাপুন, একক (সিঙ্গেল) মাত্রায় স্পেস পাওয়া যাবে। Ctrl+2 চাপলে দ্বিগুণ (ডবল), Ctrl+5 চেপে দেড় (১.৫) লাইন স্পেস পাওয়া যাবে। এভাবে পুরো ডকুমেন্টে যদি একই মাপের লাইন স্পেস দিতে চান, তাহলে Ctrl+A চেপে সবকিছু নির্বাচন করে লাইন স্পেস ঠিক করে নিন। তবে এই 1, 2 বা 5 সংখ্যাগুলো কিবোর্ডের ওপরের দিকে থাকা সংখ্যা বোতাম চেপে করতে হবে, ডান পাশে থাকা নিউমেরিক বোতাম চাপলে হবে না।

দ্রুত আন্ডারলাইন টানা
যদি কোনো পৃষ্ঠায় বাঁ থেকে ডানের পুরোটা দৈর্ঘ্যজুড়ে কোনো লাইন টানতে হয়, তাহলে হাইফেন বা অ্যাস্টেরিস্ক বোতাম বারবার চেপে বা ধরে রাখার দরকার নেই। এর পরিবর্তে বাক্যটি লেখা শেষ হলে এন্টার চাপুন, তারপর হাইফেন বা ড্যাশ (-) বোতামটি তিনবার চেপে এন্টার করলে .৭৫ পয়েন্টের আন্ডারলাইন চলে আসবে। একইভাবে তিনবার আন্ডারস্কোর (_) চেপে এন্টার করলে ১.৫ মাত্রার আন্ডারলাইন হবে, তিনবার অ্যাস্টেরিকস (*) চেপে এন্টার করলে ডটেড আন্ডারলাইন, সমান চিহ্ন (=) তিনবার চেপে এন্টার করলে দ্বিগুণ আন্ডারলাইন হবে এবং টিলডি (~) তিনবার চেপে এন্টার করলে আঁকাবাঁকা ধরনের আন্ডারলাইন হবে।

পুনরায় তালিকা সাজানো
যদি কোনো লেখায় নম্বর বা বুলেট লিস্ট থাকে এবং যদি মনে হয় তালিকার দুইয়ে থাকা লেখাটি পাঁচ নম্বরে থাকবে বা চার নম্বরটি তালিকার দুই নম্বরে হবে, তাহলে অধিকাংশ ব্যবহারকারীই কেবল কাট পেস্ট করে তালিকাটি সাজিয়ে নেন। ছোট তালিকা হলে সমস্যা নেই, কিন্তু যদি বড় ধরনের তালিকা হয়, তাহলে ব্যাপারটি মাথাব্যথার কারণ হতে পারে। তালিকা থাকা যে লেখাটি সরাতে চান, সেটিতে কার্সর রেখে অল্টার ও শিফট বোতাম দুটি একসঙ্গে চেপে ধরুন। তারপর ওপর বা নিচের দিকে তির চিহ্নিত বোতামটি চেপে তালিকার প্রয়োজনীয় স্থানে নিয়ে যান। বুলেটেড লিস্টের তালিকা হলে বাঁয়ের সংখ্যাক্রম পরিবর্তন করার আর দরকার পড়বে না।


-সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

এবার আপনিও হবেন রেডিও স্টেশন এর মালিক

 আপনাদের স্বাগতম জানাছি রেডিও তৈরীর সম্পূর্ণ  পর্বে, আজ আমি দেখাবো কিভাবে আপনি অনলাইন রেডিও তৈরী করবেন, আমি সম্পূর্ণ কাজ ধাপে ধাপে দেখিয়ে দেবো এই টিউটোরিয়াল এর মাধ্যমে, চলুন শুরু করি রেডিও তৈরীর কাজ
অনলাইন রেডিও তৈরী করতে যা যা লাগবে
১. কম্পিউটার অথবা ল্যাপটপ
২. ইন্টারনেট কানেকসন
৩. রেডিও সার্ভার
৪. ব্রডকাস্ট সফটওয়ার
৫. রেডিও প্লেয়ার, মোটামুটি এইগুলো হলে রেডিও তৈরী করা যাবে
চলুন শুরু করি, প্রথমে আপনাকে রেডিও সার্ভার এর জন্য রেজিস্ট্রেশন হবে এখানে, রেজিস্ট্রেশন শেষ করার পর একটা ইমেইল যাবে আপনার ইমেইল এ এরপর ইমেইল এ দেওয়া লিংক এ ক্লিক করে download করে নিন প্রজনীয় সফটওয়্যার, অথবা এখান থেকে সরাসরি download করে নিন SHOUT CAST এবং WINAMP download হয়ে গেলে install করুন আপনার কম্পিউটার অর লেপটপে।
ইনস্টল হয়ে গেলে অ্যাডমিন প্যানেল প্রবেস করুন এখানে, তারপর ১৫-৩০ মিনিটের মধ্যে আপনি আপনার রেডিও ইনফরমেশন দিয়া দেওয়া হবে  C প্যানেল এ
সেখানে লক্ষ্য করে দেখবেন যে Status এর নিচে OFF লিখা আছে।এর মানে হল বর্তমানে আপনার রেডিও ষ্টেশন বন্দ আছে।আর এটা চালু করার জন্য control থেকে stat এ ক্লিক করেন।কিছুক্ষন loding হওয়ার পর দেখবেন যে Status এর নিচে on লেখা দেখাচ্ছে। পেইজটা open করেই রাখুন।
এবার সফটওয়্যার দুটি ইনষ্টল করে নিন।  ইনষ্টল করার পর winamp ওপেন করলে নিচের ছবির মত আসবে।

কিন্তু পরে যদি আপ্নে shoutcast menu টা কেটে দেন তাহলে পরের বার আর  shoutcast menu টা আসবে না।এর জন্য আপনাকে manually shoutcast menu টা আনতে হবে।এর জন্য winamp এর ওপরে কার্সর দিয়ে একটা ক্লিক ক রে Ctrl+p চাপলে  নিচের ছবির মত একটা menu আসবে:

menu এর ভিতরে দেখবেন নিচের ছবির মত দুইটা অপশ ন আছে।

এবার Null SHOUTcast Source DSP v2.3.3 লেখাতে ক্লিক করার পর output অপশনে ক্লিক করবেন। দেখবেন নিচের ছবির মত একটা menu আসবে।

এবার Server Address এ Host এর নিচে যে Address টা আছে তা বসান।  port box এ port number দিন এবং  password box এ password দিন।সব কিছু দিলে নিচের ছবির মত দেখাবে। এইখানে যানো শুধু আমি যা লিখছি আপনারা তাই দিয়েন না।এই খানে আপনার একাউন্টে যা যা আছে তাই দিবেন।কেউ যদি না বুঝে থাকেন তাহ লে নিচের ছবিটা দেখে নেন।

এবার Directory তে ক্লিক করে name এ যে কোন একটা নাম দিন।Encoder এ ক্লিক করে Encoder type দেন MP3 Encoder    Encoder setting দেন  64kbps,44100Hz,stereo।কেউ যদি না বুঝে থাকেন তাহ লে নিচের ছবিটা দেখে নেন।

এবার connect ক্লিক করলে Status নিচের ছবির মত দেখবেন।
যদি নিচের ছবির মত দেখায় তাহলে সব কাজ ঠিক আছে।

এখন আপনার winamp প্লেয়ারে একটা গান বাজান।এবং sound একদম কমিয়ে দিন।
এখন হয়তো অনেকে চিন্তায় পরে গেছেন সব কাজ তো শেষ হল।কিন্তু অনলাইনে কোন ঠিকানাই যেয়ে আমার গান গুলো শুনব।আপনার  C প্যানেল এ Radio Player Enable Code  থাকবে সুধু কপি করে আপনার সাইট এ পেস্ট করতে হবে.

-সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

আবিষ্কার করুন উইন্ডোজের এর কিছু অসাধারণ গোপন সফটওয়ার!!!

 আপনি কি আপনার উইন্ডোজের এর সম্পর্কে সবকিছু জানেন? সেটা-ত মনে হয় না 😛 আপনি ভাবতেও পারবেন না যে কত কিছু রয়েছে এই উইন্ডেজের মধ্যে!! আমার কিছু নির্বাচিত সফটওয়ার আপনাদের কাছে আজকে তুলে ধরলাম। আমি জোর গলায় বলতে পারি যে আপনারা অধিকাংশ-ই এগুলো সম্পর্কে জানেন না! 😛 এগুলো উইন্ডোজের মধ্যে আগে থেকেই ইনস্টল করা আছে! এ কারণে আপনাদের ভাইরাস নিয়ে কোন চিন্তা-ভাবনা করার দরকার নেই 😛 এগুলো কাজ করবে, Windows Xp, Windows Vista, Windows 7 আবার  খুব সম্ভবত Windows 8 এও হতে পারে।

উইন্ডোজের কিছু গোপন সফটওয়ার:

১. Private Character Editor

Private Character Editor দিয়ে সহজেই আপনার উইন্ডোজের Font বা আপনার নিজের ইন্সটল করা Font Edit করতে পারবেন। আমি এটি দিয়ে আমার নিজের Font Collection করেছি।
  • Click start—type run—type eudcedit

২. Dr. Watson

এটি উইন্ডোজের Built-In repairing সফটওয়ার। এটি আগে থেকেই উইন্ডোজে ইন্সটল করা থাকে। এটি-ই আপনার কম্পিউটারের Error Message দেয়, কম্পিউটার Crash করার সময়। এটি একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়ার আপনার কম্পিউটারের ত্রুটি বের করার জন্য এবং যথাসম্ভব সেটাকে ঠিক করার জন্য।
  • Click start—type run—type drwtsn32 / dwwin

৩. Media Player 5.1

আপনি কি এখনও আপনার Default Media Player ব্যবহার করতে পছন্দ করেন? এটি প্রায়সই Crash করে! কিন্তু আমি একটি পদ্ধতি বলব যার মাধ্যমে আপনি আপনার Media Player কে Downgrade করে Media Player 5.1 এ করতে পারবেন। এটি Latest Update টার থেকেও ভাল কাজ করে। কোন চিন্তা করবেন না! আপনি আবার আপনার Default Media Player ব্যবহার করতে পারবেন আবার পুরাতনটাও ব্যবহার করতে পারবেন!
  • Click start—type run—type mplay32 / mplayer / wmplayer

৪. IExpress

এটি আসলেই অনেক কাজের সফটওয়ার। এটি দিয়ে আপনি আপনার নিজের Setup ফাইল তৈরী করতে পারবেন। (Self-extracting setup file) এখন থেকে সহজেই নিজের .exe ফাইল তৈরী করুন!!
  • Click start—type run—type iexpress

-সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

কম্পিউটার পার্টিশান সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যাবলীর সহজ সমাধান, হয়ে যান পার্টিশান গুরু।

আমাদের প্রত্যকেই  কিছু আলাদা পারটিশান রাখতে পছন্দ করি কারন  এর ফলে আলাদা আলাদা ভাবে ফাইল রাখতে সুবিধা হয়।  তাই অনেক সময় পারটিশান দেবার প্রয়োজন পরে, কিন্ত ডিফল্টভাবে পারটিশান দেয়া যথেষ্ট ঝামেলা পূর্ণ এবং এর ফলে হার্ড ডিস্ক ডাটা লস হয়ে থাকে। আজ আপনাদের নিকট একটি সফটওয়্যার শেয়ার করব জার মাধ্যমে সহজেই পারটিশান তৈরি অথবা রিসাইজ করা যাবে এবং কোন ফাইল ডিলেট করতে হবে না।অসাধারন এই  সফটওয়্যারটির ব্যাপারে কিছু বলার আগে নিজেই দেখে আসুন তাদের অফিসিয়াল ওয়েব।

কিছু বৈশিষ্ঠ্য শেয়ার করছি যার কারনে সফটওয়্যারটির রেটিং অন্য সব সফটওয়্যার থেকে উপরে এবং বড় বড় CNET এবং pcworld এর মত সাইট এটা ব্যবহার করার জন্য রিকমেন্ড করে।
মুভ এবং রিসাইজ পারটিশান :
অনেক সময় দেখা যায় এক ড্রাইভ এর জায়গা শেষের দিকে অথচ অন্য ড্রাইভ খালি পরে রয়েছে। এই সমস্যা সমাধান EaseUS এর মাধ্যমে অতি সহজেই করা জায় কোন প্রকার রিবুট করা ছারাই।

FAT থেকে NTFS ড্রাইভ এ পরিবর্তন :
NTFS হচ্ছে সব থেকে আধুনিক FAT সিস্টেম থেকে, অনেক ফিচার NTFS এ রয়েছে যা FAT এ নেই। এই সফট এর মাধ্যমে অতি সহজেই ফাইল পরিবর্তন সম্ভব।

ট্রান্সফারিং হার্ড-ডিস্ক :
সবথেকে চমৎকার যেটা আমার কাছে লেগেছে সেটা হল আপনি ইচ্ছা করলে আপনার উইন্ডোজ ট্রান্সফার করতে পারবেন কোন প্রকার ঝামেলা ছারাই। অর্থাৎ আপনি হুভহু সকল ফাইল অন্য হার্ড ডিস্ক এ ট্রান্সফার করছেন তাও উইন্ডোজ দিতে হচ্ছে না।
সুতরাং এই চমৎকার সফটওয়্যার টি ব্যবহার করেই দেখুন তারপর বুঝুন এটি কেমন কাজের। পার্সনাল ব্যবহারের জন্য সফটওয়্যার টি ফ্রি। তাই ডাউনলোড করে সহজেই হয়ে যান পারটিশান এর গুরু। ডাউনলোড

 -সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

এবার নিয়ে নিন clash of clans এর জেমস বা জেকোনো পেইড এপ ডাউনলোড বা ফেজবুক এর আনলিমিটেড পেইজ লাইক ১০০% ফ্রিতে আপনার এন্ড্রোয়েড ফোন দিয়ে

Penulis : Unknown on শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৬ | ৭:০৩:০০ AM

শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৬

যারা Clash of clan পাগলা তারা নিশ্চয়ই এটা জানেন যে এ গেমে জেম্স কি জিনিস। অনেকেরই জেম্স কয়েকদিনের মধ্যে ফুরিয়ে যায়।
প্লে স্টোর থেকে 10$ এর বিনিময়ে মাত্র 1200 জেমস পাওয়া যায়।
তবুও অনেকে কিনেই খেলেন।
আজকে আমি আপনাদের জন্য একটি এমন টিউটোরিয়াল দিচ্ছি যেটার মাধ্যমে আপনি প্লে স্টোর থেকে জেম্স কিনতে পারবেন বা জেকোনো পেইড এপ ডাউনলোড করতে পপারবেন অনলাইনে আল্প কিছু কাজ করে।
আপনি ডলার দিয়েই জেম্স নেবেন কিন্তু ডলারগুলো আসবে
অনলাইনে আল্প কিছু কাজ করে।
এবং ডলার ইনকাম করে জেম্স না কিনে টাকা পে আউটও করতে পারবেন PayPal বা skrill একাউন্ট এর মাধ্যমে।বা গুগল গিফট কাড নিয়ে ফেজবুক পেইজে লাইক নিতে পারবেন।
যেভাবে আনলিমিটেড জেম্স কিনবেন
প্রথমে গুগর প্লে স্টর থেকে w h a f f reward নামের এপটি সার্চ করে ডাউনলোড করে নিন।
ডাউনলোড হয়ে গেলে ইনস্টল দিন এবং অপেন করুন।
তারপর লগইন এ ক্লিক করুন, ফেসবুক ওপেন হবে ঐখানে আপনার ফেজবোক আইডি দিয়ে লগইন করুন। ভয় পাবেননা আইডি হ্যাক হবেনা। (ভয় পেলে ফেক আইডি দিয়ে লগিন করুন)।
ফেজবোক আইডি দিয়ে লগিং করার পর আপনে welcome bonus পাবেন ০.২০$ আর তারপর চাইবে, Enter Your Invitation code এর নিচে খালিঘরে CH07419 লিখে OK ক্লিক
করুন। আপনার কাজ শেষ।আপনি সাথে সাথে পেয়ে যাবেন আরো $0,30 US ডলার। বি: দ্র: এই code না লিখলে আপনি 0.30 $ পাবেন না। তাই সাবধনতার সহিত code CH07419 টি লিখুন।
এখন দেখুন নিচে অনেক premiun pack এ অ্যাপ এর অফার আছে।
Installation-reward এ লেখাই আছে ইন্সটল করলে কত $ পাবেন। ইন্সটল বাটনে ক্লিক করলে Open With এ ব্রাঊসার এ দিন। এখন এই অ্যাপ টা থেকে আপনাকে প্রথমে ব্রাউসারে তারপর প্লে-স্টোরে নিয়ে যাবে। অ্যাপ টি ইন্সটল করে ওপেন এ ক্লিক করুন এবং ১ মিনিট এর মধ্যে নোটিফিকেশন আসবে w h a ff Rewards থেকে। এখন অ্যাপ টি ক্লোজ করে w h a ff Rewards এ যান দেখবেন আপনার কাঙ্ক্ষিত $ যোগ হয়ে গেছে। এভাবে দ্বিতীয় অ্যাপ টিও ইন্সটল করে ফেলুন তারপর Daily Play তে Play বাটনে ক্লিক করে অ্যাপ টি 4 মিনিট খেলুন এবং অ্যাপ টি ক্লোজ করুন এইভাবে ৩০ মিনিট এর কম সময়ের মদ্ধেই 1$ ডলার হয়ে গেলো!
ওহাপ Rewards এ মিনিমাম ১১ ডলার হলেই Google Play GiftCard এর জন্য রিকোয়েস্ট করতে পারবেন। ঐ Google Play GiftCard এর কোড দিয়ে Gems ক্রয় করার সময় সাবমিট করলে আপনার পেমেন্ট হয়ে যাবে!
এখন দেখি w h a ff Rewards টা কি?
এর ভেতরে নানারকম Apps, Games থাকবে,
# যা ডাউনলোড করলে নির্দিষ্ট পরিমান ডলার পাবেন। যেমনঃ .50$/.080$/.30$।
# প্রতিদিন ওহাপ Rewards থেকে ঐ App টা ওপেন করে ১/৪/৩ মিনিট ব্যবহার করে নির্দিষ্ট পরিমান ডলার পাবেন। যেমনঃ .5$/.015$/.40$।
# ঐ App টি আনইন্সটল না করলে প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিমাণ ডলার পাবেন।
এছাড়াও Referral ও প্রতিদিন লগইন করে ডলার পাবেন.
Daily Attend করলেই ডলার পাবেন
W H A FF Rewards এর সব চেয়ে বড় সুবিদা হলো এটা রেফারেল সিসটেম মানে আপনে কাউকে জয়েন করালে আপনে পাবেন ০.৩০$ us ডলার।লগইন করার পর আপনাকে একটিInvitation কোড দেওয়া হবে যেমন: CH07419 আপনার বন্ধুকে W H A FF Rewards এ invite করে আপনি প্রতি বন্ধুরকাছ থেকে পাবেন $0.30 US ডলার।আপনার বন্ধু আপনার invitation কোড দিয়ে লগইন করলেই তা আপনার W H A FF Rewards অ্যাকাউন্টে যোগ হয়ে জাবে।
W H A FF Rewards এ পাবেন আরো অনেক সুবিদা
আপনে মন দিয়ে কিছু সময় কাজে লাগিয়ে ২দিনেই ১০$ আন করতে পারবেন। জিবনে তো আনেক মেগাবাইট খরচ করেছেন এবার মাএ ২০ মেগাবাইট খরচ করে দেখেন।
এখান থেকে আপনে ১০০% টাকা পাবেন আমার কথা বিশ্বাস না হলে google বা google paly store এ গিয়ে app টা review check করুন।
তা হলে আর দেরি না করে এখনি ডাউনলোড করুন।
-সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

আপনার পেনড্রাইভ করুন আরো Powerful,Virusfree & Smart


২০০৮ সালের আগে ও Pendrive বললে এর কাজটা কি তা আগে বলতে হত সবাইকে।কিন্তু সেই Pendrive যেন আজ কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপুর্ণ অংশ।এটি ছাড়া আজকাল কম্পিউটারের কাজ হয়না বললেই চলে।কিন্তু এটি যেমন উপকারী তেমনি আবার উজারের মাথাব্যাথার কারণ ও হয়।কারণ এটির বিরুদ্ধে ২ টি অভিযোগ প্রায় সবাই করে।যেমন:১.এটি নস্ট হয়ে যায় বা সাইজ কমে যায় ২.ভাইরাস ছড়াই। ১ম অভিযোগটা কম হলেও ২য় সমস্যায় পড়েনি এরকম ব্যবহারকারী মনে হয় খুব কম।একজন ইউজার সতর্ক হলে কিন্তু এই সমস্যাগুলো থেকে পরিত্রাণ পাওয়া মোটেও অসম্ভব নয়।সমস্যা ২টি নিয়ে নিচে আলোচনা করছি।
১.সমস্যা:এই সমস্যাটা কিছুটা কারিগরি ত্রুটির কারণে হয়,বাকিটা ইউজারের অসতর্কতার কারণে হয়। Pendrive পিসিতে ঢুকালে ডানপাশের নিচের কোণায় একটি চিহ্ন আসে এবং Pendrive এর লাইটটি জ্বলে উঠে এটি সবাই জানে। কম্পিউটার ও মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দেয় সে একটি USB পেয়েছে।কাজ শেষ করার পর আবার সেই ডানপাশের নিচের কোণার চিহ্নটিতে ক্লিক করলে safely remove USB mass storage device লেখাটি আসে এবং এতে ক্লিক করলে safe to remove hardware লেখার আরেকটি মেসেজ আসে। Pendrive এর লাইটটি ও তখন নিভে যায়।আপনি তখন Pendrive টিও নিরাপদে পিসি থেকে খুলে নিতে পারেন।(অবশ্য right button করে properties এ গিয়ে ও খুলতে পারেন। কিন্তু‘ safe to remove hardware লেখাটি না এসে যদি The device Generic volume cannot be stopped right now.Try stopping the device again later এরকম সতর্ক মেসেজ আসে তাহলে সতর্ক হোন।ভুলে ও তখন Pendrive টি খুলতে যাবেননা।তাহলে ১ম সমস্যাটা ঘটতে পারে আপনার ভুলের জন্য।এই অবস্থায় দেখুন আপনার কম্পিউটার Pendrive এর কোন ফাইল ব্যাবহার করছে কিনা।প্রয়োজনে সব প্রোগ্রাম বন্ধ করে আবার চেস্টা করুন।আবার ও যদি কম্পিউটার ঐধরনের মেসেজ দেয় তাহলে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন আপনার Pendrive এ কোন ভাইরাস ঢুকার চেষ্টা করছে কিংবা তাতে আগে থেকে ভাইরাস ঢুকে আছে এবং তা কম্পিউটারে কাজ করছে ।তাই আপনি Pendrive টি খুলতে চাইলে আপনাকে ভাইরাসটিই stop করতে হবে 1My Computer এ গিয়ে Pendrive টি খুলুন।ভাইরাসটি চিহ্নিত করুন।(ভাইরাস সম্পর্কে ২নং সমস্যায় আলোচনা হবে)এখনTask Manager>Processএ গিয়ে দেখুন ঐ নামটি আছে কিনা যেটি আপনি ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।থাকলে তার Processe বন্ধ করে দেন।যতটা পাবেন ততটাই বন্ধ করে দিন।প্রয়োজনে Explorer.exe বন্ধ করে আবার File>New Task এ গিয়ে Explorer লেখে ওকে করুন।
এসব চেস্টা করার পরও যদি ঐ মেসেজটি আসে তাহলে কম্পিউটার বন্ধ করেই Pendrive টি পিসি থেকে খুলুন।কারণ ঐ মেসেজটি অমান্য করা মানে আপনার Pendrive টি ১ নং সমস্যায় পড়া।সুজা কথা Pendrive এর লাইট বন্ধ না হলে আপনার Pendrive টি পিসি থেকে খুলা মোটেও নিরাপদ নয়।অনেক সময় পিসির USB পোর্টের সমস্যা থাকলেও Pendrive এর লাইট বন্ধ হয়না।সেক্ষেত্রে ও আপনাকে শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে কম্পিউটার বন্ধ করে Pendrive টি খুলতে হবে।আপনার একটু সতর্কতা যদি আপনার ডিভাইসটি বাঁচিয়ে দেয় তাহলে অহেতুক রিস্ক নিবেন কেন?
২.ভাইরাস: প্রথমে ভাইরাস নিয়ে একটু আলোচনা।ভাইরাসের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য হল *এটি প্রায় হিডেন থাকে,*এগুলো সবসময় .exe এক্সেটেন্‌শনযুক্ত হয়,(Autorun.inf কিন্তু ভাইরাস নয়।ভাইরাস এবং ইউজার ২ জনই একে নিজেদের কাজে ব্যাবহার করে।ভাইরাস যখন নিজের কাজে ব্যাবহার করে তখন হয়ত একে ভাইরাসের সাহায্যকারী বলা যাবে)*এগুলো অনেক সময় কম্পিউটারের সিস্টেম ফাইলের মত বা অতি পরিচিত নাম ব্যাবহার করে যাতে আপনি একে ভাইরাস মনে না করেন।যেমন:explore.exe,svchost32.exe।(সিস্টেম ফাইলগুলোর নাম হল explorer.exe,svchost.exe)*এটি কম্পিউটারে নিজে নিজে কপি ও সেটআপ হতে পারে।(অবশ্য এটা ঘটে যদি কম্পিউটারে Autorun অন করা থাকে আর Pendrive দেওয়ার সাথে সাথে Pendrive অটোরান হয় কিংবা কম্পিউটার বুট হওয়ার সময় Pendrive পিসিতে লাগানো থাকে।সুতরাং এ২টা কাজ এড়িয়ে চলুন) (আজকাল কিছু কিছু ভাইরাস কোন এক্সটেনশন ছাড়াই হয় এবং তা হিডেন থাকে ফোল্ডারের মত হয়ে)।মূল আলোচনায় আসি।
ধরে নিলাম আপনার পেন্ড্রাইভে ভাইরাস আছে।অনেকে তখন ফরমেট করে।আজ থেকে ফরমেট করা বন্ধ করে দিন।পারলে কেনার পর (যদি ফরমেট করা না থাকে)একবার ছাড়া পেন্ড্রাইভকে কখনো ফরমেট করবেননা।এতে ১নং সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন,ডিভাইসটি ও স্পিড হারাবেনা। Pendrivটি ঢুকানোর আগে অটোরান বন্ধ করে দিন।এজন্য রান এ গিয়ে gpedit.msc লেখে ওকে করুন।যে উইন্ডোটি আসবে তার বাম পাশে User Configurationএর+চিহ্নটিতেclick করুন।এরপরadministrative>system এর উপর।তখন ডানপাশে Turn off Autoplay লেখাটি দেখা যাবে।ওখানে ডাবল ক্লিক করে Enable optionটি দিন এবার drop down menuথেকেAll Drives select করে OKদিন।এবারMy Computer>Tools>Folder Option>Vew>Show hidden files and folder এ চেক মার্ক দিন।অনেক সময় এই অপশনটি ভাইরাসের কারণে কাজ করেনা।তাই ওকে করার পর প্রয়োজনে আবার দেখুন ওকে আছে কিনা।তারপর Hide extension for known file types এবং Hide protected operating system fileএর টিক চিহ্নটি তুলে দিন(Yes,No কমান্ড আসলেYesদিন।)
কাজগুলো করার পর Pendrive ঢুকান।এরপর Explorerথেকে My Computerএ যান এবংPendriveটি খুলুন।কখনো ডাবল ক্লিক বা অপেন থেকে Pendrive খুলবেন না।Drop down Menu বা প্রয়োজনে Explorer থেকে খুলুন।এখন দেখুন .exe এক্সেটেন্‌শনযুক্ত কোন ফাইল আছে কিনা।থাকলে ওটাই ভাইরাস।কারণ আপনি .exe এক্সেটেন্‌শনযুক্ত কোন ফাইল আপনি ওখানে ঢুকাননি।তাই এটি থাকার কথা নয়।আর ঢুকালে তার নাম নিশ্চয় আপনি জানেন।তাই আপনারটা ছাড়া অর্থাৎ আপনি যেগুলো পেনড্রাইভে ঢুকাননি সেসবগুলো ভাইরাস।এগুলোর সাথে Autorun.inf ফাইলটাও থাকতে পারে।এইটা সহ সব ভাইরাস একটা একটা করে ডিলিট করে দিন।ভুলেও ওগুলো ওপেন করবেননা।যদি ডিলিট হয় তাহলে ভাল আর যদি ডিলিট হবেনা বা হচ্ছেনা এরকম মেসেজ আপনি পান তাহলে ১ নং এর নিয়মগুলো ফলো করে ভাইরাসটা স্টপ করে তারপর ডিলিট করার চেস্টা করুন।ব্যর্থ হলে ১ নং এর নিয়ম ফলো করে Pendrive টি খুলে ফেলুন এবং যথানিয়মে অন্য একটি কম্পিউটারে ভাইরাসগুলো আপনি ডিলিট করতে পারেন।এই কম্পিউটারে হচ্ছেনা কারণ ভাইরাসগুলো দ্বারা আপনার উইন্ডোজটি আক্রান্ত হয়েছে এবং তা একটিভ আছে।আর যদি.exe এক্সেটেন্‌শনযুক্ত কোন ফাইল আপনি না দেখেন তাহলে আপনার ডিভাইসটিতে কোন ভাইরাস নেই।
এভাবে ভাইরাস দূর করা গেলে ফরমেট বা এন্টিভাইরাস কি জন্য দরকার? তবে উইন্ডোজে ভাইরাস থাকলে (প্লাগ এন্ড প্লে হওয়ায়)পেনড্রাইভে তা ঢুকতে পারে।
শুধু পেনড্রাইভ নয় মেমোরিকার্ড বা এরকম সব ডিভাইসের জন্য লেখাটি কাজে আসবে।আমি নিশ্চিন্তে পেনড্রাইভ ব্যবহার করি এভাবে।

-সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

ফেসবুকে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন আমাদের সাথে

 
Copyright © 2016. Fahim's World (ফাহিম'স ওয়ার্লড) . All Rights Reserved. ____This Site is created by Md. Fahim Ahammed Riyad.মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ ।
Design Template by FAHIM | Support by Md. Fahim Ahammed Riyad | Powered by Blogger

Announcement:

আপনিও কী এরকম সাইট চাচ্ছেন ? মাত্র ১২০ টাকায় পাবেন এরকম সাইট । তাহলে এখই যোগাোগ করুন 01793113048 নাম্বারে ।