Get Flower Effect
News Update :
Related Posts Plugin for WordPress, Blogger...
কম্পিউটার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
কম্পিউটার লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

যে কোন ভাষাকে ট্রান্সলেট করুন চরম একটি সফটওয়্যার দিয়ে। (সাইজ মাত্র ২ মেগাবাইট)

Penulis : Unknown on রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৬ | ৫:৪৫:০০ PM

রবিবার, ৩ এপ্রিল, ২০১৬

বন্ধুরা আজ আপনাদের সাথে চরম একটি সফটওয়্যার শেয়ার করবো। সাধারণত আমরা কোন ভাষার ট্রান্সলেট করতে গেলে গুগুল ট্রান্সলেটের সাহায্য নিয়ে থাকি। কিন্তু সমস্যা হলো নেট কানেকশন না থাকলে আমরা গুগুল ট্রান্সলেট ব্যবহার করতে পারিনা। তা ছাড়া গুগুল ট্রান্সলেটের ট্রান্সলেটটাও হয় একটু জঘন্য। তাই আমি আজ আপনাদের কাছে শেয়ার করবো  ছোট্ট একটি সফটওয়্যার, যার  ট্রান্সলেটটা গুগুল ট্রান্সলেট থেকেও সুন্দর। সফটওয়্যারটি এখানে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন। সাথে সিরিয়াল কিও দেওয়া আছে। সাইজ মাত্র ২ মেগাবাইট।
ডাউনলোড করুন ←এখান থেকে।
ডাউনলোড হয়ে গেলে ইন্সটল করে ফেলুন।
এখানে From থেকে আপনি যে ভাষাকে ট্রান্সলেট করতে চান সে ভাষা সিলেক্ট করে দিন এবং To থেকে যে ভাষায় ট্রান্সলেট করতে চান তা সিলেক্ট করে দিন। সর্বশেষ Translate এ ক্লিক করুন। ব্যাস এবার দেখুন আপনার ভাষাটি দারুনভাবে ট্রান্সলেট হয়ে গেছে।
তো বন্ধুরা আজ কে এই পর্যন্ত আবার অন্য কোনো দিন হাজির হব অন্য কোনো টিউন নিয়ে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো থাকবেন। ধন্যবাদ সবাইকে।


-সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

ভুল করে Shutdown বাটনে ক্লিক দিয়ে ফেলেছেন??? খুব সহজেই Shutdown Command cancel করুন

ভুল করে Shutdown বাটনে ক্লিক দিয়ে ফেলেছেন??? খুব সহজেই Shutdown Command cancel করুন-ছোট্ট একটা ট্রিক দিয়ে
আজ আপনাদের command করে দেওয়া shutdown cancel করা দেখাব।
ধরুন, কম্পিউটারে আপনি জরুরি কোন কাজ করছেন, এখনও কিছু Save করেননি। হঠাৎ ভুলে Shutdown বাটনে প্রেস লেগে পিসি shutdown হয়ে গেল, কেমন লাগে বলুন তো!!!
আপনার সব কাজ মাটি।
তাই এই সমস্যা থেকে রেহাই পেতে আজকের এই টিউন।
কিভাবে Shutdown command cancel করবেন?
প্রথম ধাপঃ
প্রথমে ডেস্কটপের ওপর রাইট বাটন ক্লিক করে New>Shortcut দিন।
দ্বিতীয় ধাপঃ
এবার Location-এ লিখুন “shutdown-a”
এবার এর পছন্দমত নাম দিন। চাইলে icon-ও চেঞ্জ করতে পারবেন।
ব্যস, আপনার সবকিছু Ready!!!
এবার ভুল করে Shutdown command দেওয়ার পাঁচ সেকেন্ডের মধ্যে এতে ডাবল ক্লিক করুন। তাহলে shutdown cancel হয়ে যাবে।


-সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

হঠাৎ মাউস নষ্ট হয়ে গেলে যা করবেন।

টাইটেল দেখেইত মনে হয় বুঝে গেছেন যে কি নিয়ে আলোচনা কররা হবে। তাহলে বেশি কথা না বললে কাজের কথাই আসি।
হঠাৎ করেই মাউস নষ্ট হলে কি করবেন?
যেনে নিন এখন প্রায় সময়ই দেখা যায়
মাউসে সিঙ্গেল ক্লিক করলে ডাবল
ক্লিক লেগে যায়, আবার অনেক সময়
দেখা যায় দুই তিনটা ক্লিক করলেও
ঠিক মতো ক্লিক লাগেনা। আজকে আমি
আপনাদের দেখাবো জরুরী মূহুর্তে এই
ধরনের সমস্যা হলে মাউস বাদ দিয়ে
কিভাবে কিবোর্ড কেই মাউসে
রূপান্তরিত করে কাজ চালিয়ে যাবেন।
তাহলে চলুন কথা না বারিয়ে
কাজে লাগে পরি।
প্রথমেই আপনার কম্পিউটারের কিবোর্ড
থেকে Num Lock, of করে রাখুন। এবার
কিবোর্ড থেকে এক সাথে Alt +shift+num
Lock চাপুন। এবার দেখুন নিচের চিত্রের
মতো একটি মেসেজ আসবে, নিচের চিত্র
দেখুন।
এবার tab বাটন চেপে yes সিলেক্ট করে
এন্টার চাপুন পুরো বিষয়টা উপরের
চিত্রের মতো হবে। এবার কিবোর্ড এর
num Lock, on করুন, এবার num lock এর
অন্তর্ভুক্ত থাকা বাটন গুলো চাপ দিয়ে
দেখুন আপনার কিবোর্ডটি মাউসে
রূপান্তরিত হয়ে গেছে।
বন্ধুরা আজ এ পর্যন্তই কথা হবে পরবর্তী
টিউনে সেই পর্যন্ত সবাই ভালো
থাকবেন।
সবাইকে ধন্যবাদ


-সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

আপনার পিসির CD/DVD ROM কাজ করছে না ? ঠিক করে দিই।


তাহ লে আর দেরি না করে শুরু করা যাক আজকের এই মজার।টিউনটি।
যদি CD/DVD ROM-এ প্রবলেম না থাকে, অর্থাৎ ওটা যদি নষ্ট না হয়, তবে এই সমস্যা সমাধান করা যায় ।
দেখিয়ে দিচ্ছি পদ্ধতিটাঃ
1. Ctrl+R চেপে Run, এরপর regedit লিখে OK করুন ।
2. HKEY_LOCAL_MACHINE-কে collapse করুন ।
3.  এরপর System-কে collapse করুন ।
4. এরপর Current Control Set
5. এবার control..
6. এবার Class.
7. এবার {4D36E965...............} তে ক্লিক করুন ।
8. এবার ডানপাশে Lower Filters-এ রাইট ক্লিক করে delete করে বেরিয়ে আসুন ।
9. computer রিস্টার্ট দিন । আশাকরি এরপর আর সমস্যা হবে না ।সব কিছু ঠিক ঠাক চলবে।

-সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

আবিষ্কার করুন উইন্ডোজের এর কিছু অসাধারণ গোপন সফটওয়ার!!!

 আপনি কি আপনার উইন্ডোজের এর সম্পর্কে সবকিছু জানেন? সেটা-ত মনে হয় না 😛 আপনি ভাবতেও পারবেন না যে কত কিছু রয়েছে এই উইন্ডেজের মধ্যে!! আমার কিছু নির্বাচিত সফটওয়ার আপনাদের কাছে আজকে তুলে ধরলাম। আমি জোর গলায় বলতে পারি যে আপনারা অধিকাংশ-ই এগুলো সম্পর্কে জানেন না! 😛 এগুলো উইন্ডোজের মধ্যে আগে থেকেই ইনস্টল করা আছে! এ কারণে আপনাদের ভাইরাস নিয়ে কোন চিন্তা-ভাবনা করার দরকার নেই 😛 এগুলো কাজ করবে, Windows Xp, Windows Vista, Windows 7 আবার  খুব সম্ভবত Windows 8 এও হতে পারে।

উইন্ডোজের কিছু গোপন সফটওয়ার:

১. Private Character Editor

Private Character Editor দিয়ে সহজেই আপনার উইন্ডোজের Font বা আপনার নিজের ইন্সটল করা Font Edit করতে পারবেন। আমি এটি দিয়ে আমার নিজের Font Collection করেছি।
  • Click start—type run—type eudcedit

২. Dr. Watson

এটি উইন্ডোজের Built-In repairing সফটওয়ার। এটি আগে থেকেই উইন্ডোজে ইন্সটল করা থাকে। এটি-ই আপনার কম্পিউটারের Error Message দেয়, কম্পিউটার Crash করার সময়। এটি একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ সফটওয়ার আপনার কম্পিউটারের ত্রুটি বের করার জন্য এবং যথাসম্ভব সেটাকে ঠিক করার জন্য।
  • Click start—type run—type drwtsn32 / dwwin

৩. Media Player 5.1

আপনি কি এখনও আপনার Default Media Player ব্যবহার করতে পছন্দ করেন? এটি প্রায়সই Crash করে! কিন্তু আমি একটি পদ্ধতি বলব যার মাধ্যমে আপনি আপনার Media Player কে Downgrade করে Media Player 5.1 এ করতে পারবেন। এটি Latest Update টার থেকেও ভাল কাজ করে। কোন চিন্তা করবেন না! আপনি আবার আপনার Default Media Player ব্যবহার করতে পারবেন আবার পুরাতনটাও ব্যবহার করতে পারবেন!
  • Click start—type run—type mplay32 / mplayer / wmplayer

৪. IExpress

এটি আসলেই অনেক কাজের সফটওয়ার। এটি দিয়ে আপনি আপনার নিজের Setup ফাইল তৈরী করতে পারবেন। (Self-extracting setup file) এখন থেকে সহজেই নিজের .exe ফাইল তৈরী করুন!!
  • Click start—type run—type iexpress

-সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

কম্পিউটার পার্টিশান সংক্রান্ত যাবতীয় সমস্যাবলীর সহজ সমাধান, হয়ে যান পার্টিশান গুরু।

আমাদের প্রত্যকেই  কিছু আলাদা পারটিশান রাখতে পছন্দ করি কারন  এর ফলে আলাদা আলাদা ভাবে ফাইল রাখতে সুবিধা হয়।  তাই অনেক সময় পারটিশান দেবার প্রয়োজন পরে, কিন্ত ডিফল্টভাবে পারটিশান দেয়া যথেষ্ট ঝামেলা পূর্ণ এবং এর ফলে হার্ড ডিস্ক ডাটা লস হয়ে থাকে। আজ আপনাদের নিকট একটি সফটওয়্যার শেয়ার করব জার মাধ্যমে সহজেই পারটিশান তৈরি অথবা রিসাইজ করা যাবে এবং কোন ফাইল ডিলেট করতে হবে না।অসাধারন এই  সফটওয়্যারটির ব্যাপারে কিছু বলার আগে নিজেই দেখে আসুন তাদের অফিসিয়াল ওয়েব।

কিছু বৈশিষ্ঠ্য শেয়ার করছি যার কারনে সফটওয়্যারটির রেটিং অন্য সব সফটওয়্যার থেকে উপরে এবং বড় বড় CNET এবং pcworld এর মত সাইট এটা ব্যবহার করার জন্য রিকমেন্ড করে।
মুভ এবং রিসাইজ পারটিশান :
অনেক সময় দেখা যায় এক ড্রাইভ এর জায়গা শেষের দিকে অথচ অন্য ড্রাইভ খালি পরে রয়েছে। এই সমস্যা সমাধান EaseUS এর মাধ্যমে অতি সহজেই করা জায় কোন প্রকার রিবুট করা ছারাই।

FAT থেকে NTFS ড্রাইভ এ পরিবর্তন :
NTFS হচ্ছে সব থেকে আধুনিক FAT সিস্টেম থেকে, অনেক ফিচার NTFS এ রয়েছে যা FAT এ নেই। এই সফট এর মাধ্যমে অতি সহজেই ফাইল পরিবর্তন সম্ভব।

ট্রান্সফারিং হার্ড-ডিস্ক :
সবথেকে চমৎকার যেটা আমার কাছে লেগেছে সেটা হল আপনি ইচ্ছা করলে আপনার উইন্ডোজ ট্রান্সফার করতে পারবেন কোন প্রকার ঝামেলা ছারাই। অর্থাৎ আপনি হুভহু সকল ফাইল অন্য হার্ড ডিস্ক এ ট্রান্সফার করছেন তাও উইন্ডোজ দিতে হচ্ছে না।
সুতরাং এই চমৎকার সফটওয়্যার টি ব্যবহার করেই দেখুন তারপর বুঝুন এটি কেমন কাজের। পার্সনাল ব্যবহারের জন্য সফটওয়্যার টি ফ্রি। তাই ডাউনলোড করে সহজেই হয়ে যান পারটিশান এর গুরু। ডাউনলোড

 -সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

আপনার পেনড্রাইভ করুন আরো Powerful,Virusfree & Smart

Penulis : Unknown on শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৬ | ৬:৩৬:০০ AM

শনিবার, ২ এপ্রিল, ২০১৬


২০০৮ সালের আগে ও Pendrive বললে এর কাজটা কি তা আগে বলতে হত সবাইকে।কিন্তু সেই Pendrive যেন আজ কম্পিউটারের একটি গুরুত্বপুর্ণ অংশ।এটি ছাড়া আজকাল কম্পিউটারের কাজ হয়না বললেই চলে।কিন্তু এটি যেমন উপকারী তেমনি আবার উজারের মাথাব্যাথার কারণ ও হয়।কারণ এটির বিরুদ্ধে ২ টি অভিযোগ প্রায় সবাই করে।যেমন:১.এটি নস্ট হয়ে যায় বা সাইজ কমে যায় ২.ভাইরাস ছড়াই। ১ম অভিযোগটা কম হলেও ২য় সমস্যায় পড়েনি এরকম ব্যবহারকারী মনে হয় খুব কম।একজন ইউজার সতর্ক হলে কিন্তু এই সমস্যাগুলো থেকে পরিত্রাণ পাওয়া মোটেও অসম্ভব নয়।সমস্যা ২টি নিয়ে নিচে আলোচনা করছি।
১.সমস্যা:এই সমস্যাটা কিছুটা কারিগরি ত্রুটির কারণে হয়,বাকিটা ইউজারের অসতর্কতার কারণে হয়। Pendrive পিসিতে ঢুকালে ডানপাশের নিচের কোণায় একটি চিহ্ন আসে এবং Pendrive এর লাইটটি জ্বলে উঠে এটি সবাই জানে। কম্পিউটার ও মেসেজ দিয়ে জানিয়ে দেয় সে একটি USB পেয়েছে।কাজ শেষ করার পর আবার সেই ডানপাশের নিচের কোণার চিহ্নটিতে ক্লিক করলে safely remove USB mass storage device লেখাটি আসে এবং এতে ক্লিক করলে safe to remove hardware লেখার আরেকটি মেসেজ আসে। Pendrive এর লাইটটি ও তখন নিভে যায়।আপনি তখন Pendrive টিও নিরাপদে পিসি থেকে খুলে নিতে পারেন।(অবশ্য right button করে properties এ গিয়ে ও খুলতে পারেন। কিন্তু‘ safe to remove hardware লেখাটি না এসে যদি The device Generic volume cannot be stopped right now.Try stopping the device again later এরকম সতর্ক মেসেজ আসে তাহলে সতর্ক হোন।ভুলে ও তখন Pendrive টি খুলতে যাবেননা।তাহলে ১ম সমস্যাটা ঘটতে পারে আপনার ভুলের জন্য।এই অবস্থায় দেখুন আপনার কম্পিউটার Pendrive এর কোন ফাইল ব্যাবহার করছে কিনা।প্রয়োজনে সব প্রোগ্রাম বন্ধ করে আবার চেস্টা করুন।আবার ও যদি কম্পিউটার ঐধরনের মেসেজ দেয় তাহলে আপনি নিশ্চিত হতে পারেন আপনার Pendrive এ কোন ভাইরাস ঢুকার চেষ্টা করছে কিংবা তাতে আগে থেকে ভাইরাস ঢুকে আছে এবং তা কম্পিউটারে কাজ করছে ।তাই আপনি Pendrive টি খুলতে চাইলে আপনাকে ভাইরাসটিই stop করতে হবে 1My Computer এ গিয়ে Pendrive টি খুলুন।ভাইরাসটি চিহ্নিত করুন।(ভাইরাস সম্পর্কে ২নং সমস্যায় আলোচনা হবে)এখনTask Manager>Processএ গিয়ে দেখুন ঐ নামটি আছে কিনা যেটি আপনি ভাইরাস হিসেবে চিহ্নিত করেছেন।থাকলে তার Processe বন্ধ করে দেন।যতটা পাবেন ততটাই বন্ধ করে দিন।প্রয়োজনে Explorer.exe বন্ধ করে আবার File>New Task এ গিয়ে Explorer লেখে ওকে করুন।
এসব চেস্টা করার পরও যদি ঐ মেসেজটি আসে তাহলে কম্পিউটার বন্ধ করেই Pendrive টি পিসি থেকে খুলুন।কারণ ঐ মেসেজটি অমান্য করা মানে আপনার Pendrive টি ১ নং সমস্যায় পড়া।সুজা কথা Pendrive এর লাইট বন্ধ না হলে আপনার Pendrive টি পিসি থেকে খুলা মোটেও নিরাপদ নয়।অনেক সময় পিসির USB পোর্টের সমস্যা থাকলেও Pendrive এর লাইট বন্ধ হয়না।সেক্ষেত্রে ও আপনাকে শেষ প্রচেষ্টা হিসেবে কম্পিউটার বন্ধ করে Pendrive টি খুলতে হবে।আপনার একটু সতর্কতা যদি আপনার ডিভাইসটি বাঁচিয়ে দেয় তাহলে অহেতুক রিস্ক নিবেন কেন?
২.ভাইরাস: প্রথমে ভাইরাস নিয়ে একটু আলোচনা।ভাইরাসের কয়েকটি বৈশিষ্ট্য হল *এটি প্রায় হিডেন থাকে,*এগুলো সবসময় .exe এক্সেটেন্‌শনযুক্ত হয়,(Autorun.inf কিন্তু ভাইরাস নয়।ভাইরাস এবং ইউজার ২ জনই একে নিজেদের কাজে ব্যাবহার করে।ভাইরাস যখন নিজের কাজে ব্যাবহার করে তখন হয়ত একে ভাইরাসের সাহায্যকারী বলা যাবে)*এগুলো অনেক সময় কম্পিউটারের সিস্টেম ফাইলের মত বা অতি পরিচিত নাম ব্যাবহার করে যাতে আপনি একে ভাইরাস মনে না করেন।যেমন:explore.exe,svchost32.exe।(সিস্টেম ফাইলগুলোর নাম হল explorer.exe,svchost.exe)*এটি কম্পিউটারে নিজে নিজে কপি ও সেটআপ হতে পারে।(অবশ্য এটা ঘটে যদি কম্পিউটারে Autorun অন করা থাকে আর Pendrive দেওয়ার সাথে সাথে Pendrive অটোরান হয় কিংবা কম্পিউটার বুট হওয়ার সময় Pendrive পিসিতে লাগানো থাকে।সুতরাং এ২টা কাজ এড়িয়ে চলুন) (আজকাল কিছু কিছু ভাইরাস কোন এক্সটেনশন ছাড়াই হয় এবং তা হিডেন থাকে ফোল্ডারের মত হয়ে)।মূল আলোচনায় আসি।
ধরে নিলাম আপনার পেন্ড্রাইভে ভাইরাস আছে।অনেকে তখন ফরমেট করে।আজ থেকে ফরমেট করা বন্ধ করে দিন।পারলে কেনার পর (যদি ফরমেট করা না থাকে)একবার ছাড়া পেন্ড্রাইভকে কখনো ফরমেট করবেননা।এতে ১নং সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন,ডিভাইসটি ও স্পিড হারাবেনা। Pendrivটি ঢুকানোর আগে অটোরান বন্ধ করে দিন।এজন্য রান এ গিয়ে gpedit.msc লেখে ওকে করুন।যে উইন্ডোটি আসবে তার বাম পাশে User Configurationএর+চিহ্নটিতেclick করুন।এরপরadministrative>system এর উপর।তখন ডানপাশে Turn off Autoplay লেখাটি দেখা যাবে।ওখানে ডাবল ক্লিক করে Enable optionটি দিন এবার drop down menuথেকেAll Drives select করে OKদিন।এবারMy Computer>Tools>Folder Option>Vew>Show hidden files and folder এ চেক মার্ক দিন।অনেক সময় এই অপশনটি ভাইরাসের কারণে কাজ করেনা।তাই ওকে করার পর প্রয়োজনে আবার দেখুন ওকে আছে কিনা।তারপর Hide extension for known file types এবং Hide protected operating system fileএর টিক চিহ্নটি তুলে দিন(Yes,No কমান্ড আসলেYesদিন।)
কাজগুলো করার পর Pendrive ঢুকান।এরপর Explorerথেকে My Computerএ যান এবংPendriveটি খুলুন।কখনো ডাবল ক্লিক বা অপেন থেকে Pendrive খুলবেন না।Drop down Menu বা প্রয়োজনে Explorer থেকে খুলুন।এখন দেখুন .exe এক্সেটেন্‌শনযুক্ত কোন ফাইল আছে কিনা।থাকলে ওটাই ভাইরাস।কারণ আপনি .exe এক্সেটেন্‌শনযুক্ত কোন ফাইল আপনি ওখানে ঢুকাননি।তাই এটি থাকার কথা নয়।আর ঢুকালে তার নাম নিশ্চয় আপনি জানেন।তাই আপনারটা ছাড়া অর্থাৎ আপনি যেগুলো পেনড্রাইভে ঢুকাননি সেসবগুলো ভাইরাস।এগুলোর সাথে Autorun.inf ফাইলটাও থাকতে পারে।এইটা সহ সব ভাইরাস একটা একটা করে ডিলিট করে দিন।ভুলেও ওগুলো ওপেন করবেননা।যদি ডিলিট হয় তাহলে ভাল আর যদি ডিলিট হবেনা বা হচ্ছেনা এরকম মেসেজ আপনি পান তাহলে ১ নং এর নিয়মগুলো ফলো করে ভাইরাসটা স্টপ করে তারপর ডিলিট করার চেস্টা করুন।ব্যর্থ হলে ১ নং এর নিয়ম ফলো করে Pendrive টি খুলে ফেলুন এবং যথানিয়মে অন্য একটি কম্পিউটারে ভাইরাসগুলো আপনি ডিলিট করতে পারেন।এই কম্পিউটারে হচ্ছেনা কারণ ভাইরাসগুলো দ্বারা আপনার উইন্ডোজটি আক্রান্ত হয়েছে এবং তা একটিভ আছে।আর যদি.exe এক্সেটেন্‌শনযুক্ত কোন ফাইল আপনি না দেখেন তাহলে আপনার ডিভাইসটিতে কোন ভাইরাস নেই।
এভাবে ভাইরাস দূর করা গেলে ফরমেট বা এন্টিভাইরাস কি জন্য দরকার? তবে উইন্ডোজে ভাইরাস থাকলে (প্লাগ এন্ড প্লে হওয়ায়)পেনড্রাইভে তা ঢুকতে পারে।
শুধু পেনড্রাইভ নয় মেমোরিকার্ড বা এরকম সব ডিভাইসের জন্য লেখাটি কাজে আসবে।আমি নিশ্চিন্তে পেনড্রাইভ ব্যবহার করি এভাবে।

-সংগৃহিত-
মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ। ফেসবুকে আমি
মন্তব্য(গুলি) | | Read More...

ফেসবুকে লাইক দিয়ে যুক্ত থাকুন আমাদের সাথে

 
Copyright © 2016. Fahim's World (ফাহিম'স ওয়ার্লড) . All Rights Reserved. ____This Site is created by Md. Fahim Ahammed Riyad.মোঃ ফাহিম আহম্মেদ রিয়াদ ।
Design Template by FAHIM | Support by Md. Fahim Ahammed Riyad | Powered by Blogger

Announcement:

আপনিও কী এরকম সাইট চাচ্ছেন ? মাত্র ১২০ টাকায় পাবেন এরকম সাইট । তাহলে এখই যোগাোগ করুন 01793113048 নাম্বারে ।